WELCOME to BENGALI BLOG of
SRI SRI MOHANANANDA BRAHMACHARI

Wednesday, June 3, 2015

*****ভক্তের দৃষ্টিতে শ্রীগুরুদেব শ্রীমোহনানন্দ *****

*****ভক্তের দৃষ্টিতে  শ্রীগুরুদেব শ্রীমোহনানন্দ *****
আমি যেদিন থেকে শ্রীশ্রীগুরুদেব যুগপুরুষ মানবত্রাতা শ্রীশ্রীমোহনানন্দ মহারাজের শ্রীপাদপদ্মে প্রণত হয়ে দীক্ষা গ্রহন করি সেদিনের সেইক্ষন থেকে আমার জীবন অন্যখাতে প্রবাহিত হতে শুরু করে।আমি প্রথমেই সবটা বুঝতে পারিনি,কিন্তু অল্পদিনের মধ্যেই আমর বিশ্বাসদৃঢ় হতে শুরু করে যে আমার গুরুদেবকে যতটা জানা যায়,ততটাই একজন ভক্ত শিষ্যের কাছে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় প্রাপ্তির বিষয়,বিশেষত উনি বিভিন্ন লেখায়ও প্রত্যক্ষ বানীতে তাঁকে দর্শণ করতে আসা ভক্ত বৃন্দকে যা বলেছেন বা বলতে চেয়েছেন তা অত্যন্ত গভীর ভাবে  জীবনে উপলব্ধি করার দরকার আছে।

আমি এই যে বললাম,'' যতটা জানা যায়,ততটাই ''-এ কথার মানে কি?এ কথার মানে এই যে গুরুদেব কোন এক নির্দিষ্ট জায়গায় চিরকাল বসে থাকার ব্যক্তি ছিলেন না।তিনি শুধু ভারতে নন ভারতের বাইরে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেছেন। এমনও হয়েছে অনেক গৃহী তাঁকে মাত্র দশ মিনিট ও দেখতে পেয়েছেন কি না সন্দেহ।আমর কথা ঐ দশ মিনিট ঐ গৃহীর এক পরম প্রাপ্তি যদি তিনি গুরুদেবকে একটু খানিও বুঝতে অগ্রসর হন। তাঁকে না বুঝতে পারলে বা চাইলেেও জীবন ব্যর্থ একথা মনে করার কারণ নেই,কারন গুরুদেবের আশীর্বাদের ঝর্ণাধারায় তাঁর জীবন সত্যিই ধন্য হয়েছে।


মা আনন্দময়ী গুরদেবকে 'সচল শিব' বলে অভিহিত করেছেন। ,সতি কথা বলতে কি গুরুদেবকে যতবার দর্শণ করেছি ততবারই আমার এই অনুভব হয়েছে। মায়ের সচল শিবের কথা জানতে পেরেছি বহু পরে কোন এক ভক্তের লেখা পড়ে।গুরুদেবকে রাজবেশে প্রথমে দেখে আমি আনন্দিত হয়ে ছিলাম এই ভেবে যে ইহ জীবনে যেন আমি একজন রাজর্ষীর দেখা পেলাম।


আমাদের এই গনতান্ত্রিক ভারতবর্ষে যিনি দেশ শাসন করবেন সেই রাজব্যক্তিত্ব পুরুষ বা নারী যাইই হোন তাঁকে মনেপ্রানে হতে হবে একজন ত্যাগী মানুষ,সেদিন তাঁর উপস্থিতি আমাকে এই message (বাণী) দিয়েছিল।সাঁইথিয়া থেকে কলকাতায় আসার পর আমার ছোটমেয়ে শ্রীশ্রীবালানন্দ হাসপাতালে জন্মায়।এই হাসপাতাল গুরুমহারাজের বহুর মধ্যে এক সমাজসেবার ফসল।তাঁকে আপনজন ভাবাটাযে কথার কথা নয় এই বিস্ময়কর উপলব্ধির কথা জানিয়ে এই লেখা শেষ করছি।


ব্লগ  লিখন ---শ্রী অরুণ কুমার দত্ত 

Google+ Followers

Followers

Total Pageviews

Translate